LION/সিংহ
আল্লাহ পাক সুবহানাহু ওয়া তায়ালা পবিত্র কোরান শরীফের সূরা বাকারায় বলেছেন- "তিনি পৃথিবীর সবকিছু মানুষের উপকারের জন্য সৃষ্টি করেছেন" তাই সিংহও একটি আল্লাহর সৃষ্ট জীব যাকে আমাদের উপকারের জন্য তৈরী করা হয়েছে। কিন্তু কিভাবে? এই প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন মুসলিম বিজ্ঞানীরা তাদের লিখিত কিতাবাদিতে। আমি তাদের মূল্যবান কথাগুলোকে আগামী দিনের জন্য জাতির কাছে উপাস্থাপন করতেছি মাত্র। মুসলিম বিজ্ঞানীদের গবেষণা অনুযায়ী সিংহ একটি ঔষধি প্রাণী তথা সিংহ মামার শরীরের বিভিন্ন অংশ মানুষের বহুরূপী রোগের উপকারে আসে। নিম্নে ধারাবাহিকভাবে এর বর্ণনা দেয়া হল।
১. যদি কোন ব্যক্তি তার সমস্ত শরীরে সিংহ প্রাণির চর্বি মালিশ করে তাহলে তার নিকট কোন হিংস্রপ্রাণি তাকে আক্রমন করতে আসবেনা। সেই ব্যক্তির কোন হিংস্রপ্রাণি আক্রমন করার ভয় থাকবে না। তাই জঙ্গলী লোকেরা গায়ে সিংহ প্রাণির চর্বি মালিশ করে শিকারে যায়।
২. কুমির যদি সিংহ প্রাণির হুংকার শুনতে পায় তাহলে তার দম বন্ধ হয়ে যায়। তাই কোন মানুষ কুমির প্রাণিকে ধরতে গেলে তার শরীরে চর্বি মালিশ করা থাকলে কুমির তাকে আক্রমন করবে না।
৩. কোন ব্যক্তি আরবী মাসের প্রথম তারিখে পুরুষ সিংহ এর পিত মুরগির ডিমের সাথে একত্রিত করে বা মিশ্রিত করে পান করে তাহলে তার পুরুষত্ব বেড়ে যাবে এবং তার থেকে নারীদের সমস্ত প্রতিবন্ধকতা দূর হয়ে যাবে। আর সে সবল পুরুষে পরিণত হবে।
৪. কোন পুরুষ মানুষ যদি সিংহ এর "চুলসহ শুকনা চামড়া" তাবিজ বানিয়ে গলায় ঝুলিয়ে রাখলে সেই পুরুষের সাবালেগ হওয়ার পূর্বে কোন রোগ হয়ে থাকলে তা দূর হয়ে যাবে।
৫. কোন স্থানে বা জংগলে সিংহ এর লোমে আগুন দিলে তার গন্ধে সেখান থেকে সমস্ত হিংস্রপ্রাণী চলে যাবে।
৬. কোন পক্ষঘাত বা অর্ধাঙ্গ বা প্যারালাইসেস রোগী সিংহ এর গোস্ত রান্না করে খেলে এবং সিংহ এর গোস্ত অর্ধাঙ্গ রোগের স্থানে মালিশ করলে অর্ধাঙ্গ রোগের বেশ উপকার হবে।
৭. সিংহ এর শুকনা চামড়া যদি কাপড়ে জড়িয়ে সিন্ধুক বা আলমীরাতে ভরিয়ে রাখা হয় তাহলে কাপড়ে কখনো উইপোকা ধরবেনা।
৮. কেহ যদি সিংহ এর দাঁত সংগে রাখে বা শরীরে রাখে তাহলে সে দাঁতের রোগ থেকে মুক্ত থাকবে।
৯. সিংহ এর চর্বি হাতে পায়ে মালিশ করলে ঠান্ডা লাগার কোন ভয় নেই।
১০. সিংহ এর চর্বি সমস্ত শরীরে মালিশ করলে উকুনের কোন ভয় নেই।
১১. সিংহ এর চামড়ার উপর বসলে অশ্ব রোগ, গেঁটে বাঁত ও আংগুলের যে কোন ধরনের রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
১২. সিংহ এর চর্বি গোলাবের তৈলে মিশিয়ে চেহেরায় মালিশ করলে সাধারণ জনগণ তাকে বাদশার মত ভয় করবে। কারণ তার চেহেরায় ভয়ানক আকৃতি আসবে।
১৩. সিংহ এর পিত দিয়া সুরমা বানিয়ে চোখে ব্যবহার করলে চোখের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি পাবে।
১৪. কারো হলমী রোগ হলে সিংহ এর পিত্ত রস পৌনে চার রতি সমান ইসবগুল এবং পুদিনা পাতা একত্র করে খেলে রোগ ভাল হয়ে যাবে।
১৫. সদি কেহ সিংহ এর অন্ডকোষ, মগজ, সোহাগা এবং ছাতু একত্রে মিশিয়ে শুকিয়ে পাতলা করে শরবতের মতো ব্যবহার করলে পেটের যাবতীয় রোগ দূর হয়ে যায়।
১৬. কেহ ক্লান্ত-শ্রান্ত হয়ে পড়লে সিংহ এর চর্বি মালিশ করলে স্বস্তি ফিরে আসবে।
১৭. সিংহ এর পায়খানা শুকিয়ে পরিস্কার কোন সুগন্ধির সাথে মিশিয়ে শরীরের যে কোন সাদা রোগে বা দাগে লাগিয়ে দিলে তা আরোগ্য হবে।
১৮. সিংহ এর পায়খানা শুকিয়ে কোন মদ্যপায়ীকে না জানিয়ে পান করিয়ে দিলে সে আর মদ পান তো করবেইনা, বরং মদ দেখার সঙ্গে সঙ্গে একে ঘৃণা করবে।
১৯. সিংহ এর পিত মধুর সাথে মিশিয়ে গলগন্ড রোগে মালিশ করলে ভাল হয়ে যাবে।
২০. সিংহ এর চর্বি রসুনে মিশ্রিত করে হাল্কা করে শরীরে মালিশ করলে কোন হিংস্রপ্রাণি কাছে আসবে না।
আল্লাহ পাক সুবহানাহু ওয়া তায়ালা পবিত্র কোরান শরীফের সূরা বাকারায় বলেছেন- "তিনি পৃথিবীর সবকিছু মানুষের উপকারের জন্য সৃষ্টি করেছেন" তাই সিংহও একটি আল্লাহর সৃষ্ট জীব যাকে আমাদের উপকারের জন্য তৈরী করা হয়েছে। কিন্তু কিভাবে? এই প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন মুসলিম বিজ্ঞানীরা তাদের লিখিত কিতাবাদিতে। আমি তাদের মূল্যবান কথাগুলোকে আগামী দিনের জন্য জাতির কাছে উপাস্থাপন করতেছি মাত্র। মুসলিম বিজ্ঞানীদের গবেষণা অনুযায়ী সিংহ একটি ঔষধি প্রাণী তথা সিংহ মামার শরীরের বিভিন্ন অংশ মানুষের বহুরূপী রোগের উপকারে আসে। নিম্নে ধারাবাহিকভাবে এর বর্ণনা দেয়া হল।
১. যদি কোন ব্যক্তি তার সমস্ত শরীরে সিংহ প্রাণির চর্বি মালিশ করে তাহলে তার নিকট কোন হিংস্রপ্রাণি তাকে আক্রমন করতে আসবেনা। সেই ব্যক্তির কোন হিংস্রপ্রাণি আক্রমন করার ভয় থাকবে না। তাই জঙ্গলী লোকেরা গায়ে সিংহ প্রাণির চর্বি মালিশ করে শিকারে যায়।
২. কুমির যদি সিংহ প্রাণির হুংকার শুনতে পায় তাহলে তার দম বন্ধ হয়ে যায়। তাই কোন মানুষ কুমির প্রাণিকে ধরতে গেলে তার শরীরে চর্বি মালিশ করা থাকলে কুমির তাকে আক্রমন করবে না।
৩. কোন ব্যক্তি আরবী মাসের প্রথম তারিখে পুরুষ সিংহ এর পিত মুরগির ডিমের সাথে একত্রিত করে বা মিশ্রিত করে পান করে তাহলে তার পুরুষত্ব বেড়ে যাবে এবং তার থেকে নারীদের সমস্ত প্রতিবন্ধকতা দূর হয়ে যাবে। আর সে সবল পুরুষে পরিণত হবে।
৪. কোন পুরুষ মানুষ যদি সিংহ এর "চুলসহ শুকনা চামড়া" তাবিজ বানিয়ে গলায় ঝুলিয়ে রাখলে সেই পুরুষের সাবালেগ হওয়ার পূর্বে কোন রোগ হয়ে থাকলে তা দূর হয়ে যাবে।
৫. কোন স্থানে বা জংগলে সিংহ এর লোমে আগুন দিলে তার গন্ধে সেখান থেকে সমস্ত হিংস্রপ্রাণী চলে যাবে।
৬. কোন পক্ষঘাত বা অর্ধাঙ্গ বা প্যারালাইসেস রোগী সিংহ এর গোস্ত রান্না করে খেলে এবং সিংহ এর গোস্ত অর্ধাঙ্গ রোগের স্থানে মালিশ করলে অর্ধাঙ্গ রোগের বেশ উপকার হবে।
৭. সিংহ এর শুকনা চামড়া যদি কাপড়ে জড়িয়ে সিন্ধুক বা আলমীরাতে ভরিয়ে রাখা হয় তাহলে কাপড়ে কখনো উইপোকা ধরবেনা।
৮. কেহ যদি সিংহ এর দাঁত সংগে রাখে বা শরীরে রাখে তাহলে সে দাঁতের রোগ থেকে মুক্ত থাকবে।
৯. সিংহ এর চর্বি হাতে পায়ে মালিশ করলে ঠান্ডা লাগার কোন ভয় নেই।
১০. সিংহ এর চর্বি সমস্ত শরীরে মালিশ করলে উকুনের কোন ভয় নেই।
১১. সিংহ এর চামড়ার উপর বসলে অশ্ব রোগ, গেঁটে বাঁত ও আংগুলের যে কোন ধরনের রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
১২. সিংহ এর চর্বি গোলাবের তৈলে মিশিয়ে চেহেরায় মালিশ করলে সাধারণ জনগণ তাকে বাদশার মত ভয় করবে। কারণ তার চেহেরায় ভয়ানক আকৃতি আসবে।
১৩. সিংহ এর পিত দিয়া সুরমা বানিয়ে চোখে ব্যবহার করলে চোখের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি পাবে।
১৪. কারো হলমী রোগ হলে সিংহ এর পিত্ত রস পৌনে চার রতি সমান ইসবগুল এবং পুদিনা পাতা একত্র করে খেলে রোগ ভাল হয়ে যাবে।
১৫. সদি কেহ সিংহ এর অন্ডকোষ, মগজ, সোহাগা এবং ছাতু একত্রে মিশিয়ে শুকিয়ে পাতলা করে শরবতের মতো ব্যবহার করলে পেটের যাবতীয় রোগ দূর হয়ে যায়।
১৬. কেহ ক্লান্ত-শ্রান্ত হয়ে পড়লে সিংহ এর চর্বি মালিশ করলে স্বস্তি ফিরে আসবে।
১৭. সিংহ এর পায়খানা শুকিয়ে পরিস্কার কোন সুগন্ধির সাথে মিশিয়ে শরীরের যে কোন সাদা রোগে বা দাগে লাগিয়ে দিলে তা আরোগ্য হবে।
১৮. সিংহ এর পায়খানা শুকিয়ে কোন মদ্যপায়ীকে না জানিয়ে পান করিয়ে দিলে সে আর মদ পান তো করবেইনা, বরং মদ দেখার সঙ্গে সঙ্গে একে ঘৃণা করবে।
১৯. সিংহ এর পিত মধুর সাথে মিশিয়ে গলগন্ড রোগে মালিশ করলে ভাল হয়ে যাবে।
২০. সিংহ এর চর্বি রসুনে মিশ্রিত করে হাল্কা করে শরীরে মালিশ করলে কোন হিংস্রপ্রাণি কাছে আসবে না।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন